আমনিুল ইসলাম হুসাইনী ইসলাম   | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | সময়ঃ ১:১৪ অপরাহ্ণ
700

আশুরার রোজার ক্ষত্রেে
দশম ও নবম উভয় দনিরে রোজাই মুস্তাহাব। কনেনা রাসুল (সা.) ১০ তারখি রোজা রখেছেনে এবং ৯ তারখি রোজা রাখতে নয়িত করছেনে। হজরত আবু কাতাদা (রা.) এর সূত্রে র্বণতি, রাসুলকে আশুরার রোজার ফজলিত সর্ম্পকে জজ্ঞিসে করা হলে তনিি বলনে, ‘এ রোজা বগিত বছররে গোনাহ
মুছে দয়ে।’
মহররম হলো হজিরি সনরে প্রথম মাস, যা আল্লাহ তায়ালার কাছে সম্মানতি চার মাসরে এক মাস। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলনে, ‘নশ্চিয়ই আল্লাহর বধিান ও গণনায় মাসরে সংখ্যা ১২, যদেনি থকেে তনিি সব আসমান ও পৃথবিী সৃষ্টি করছেনে। তার মধ্যে চারটি হলো সম্মানতি মাস। এটাই সুপ্রতষ্ঠিতি বধিান। সুতরাং তোমরা এ মাসগুলোর সম্মান বনিষ্ট করে নজিদেরে প্রতি অত্যাচার করো না।’ (সূরা তওবা : ৩৬)।
চলতি মাসরে ১০ মহররমকে বলা হয় ‘আশুরা’। কারণ আরবি আশারা থকেে এর উৎকলন। যার র্অথ হচ্ছে দশ। আদকিাল থকেইে যুগে যুগে আশুরার এ দনিে বহু স্মরণীয় ও ঐতহিাসকি ঘটনা সংঘটতি হয়ছে,ে যা আমরা পবত্রি কোরআন ও হাদসি থকেে জানতে পাই। হাদসিে এসছে,ে আল্লাহ রাব্বুল আলামনি যদেনি আকাশ, বাতাস, পাহাড়-র্পবত, নদীনালা, জান্নাত-জাহান্নাম, লাওহে মাহফুজ ও যাবতীয় সৃষ্টজিীবরে আত্মা সৃজন করছেনে, সে দনিটি ছলি ১০ মহররম তথা পবত্রি আশুরার দবিস।
আবার এ দনিরেই কোনো এক জুমার দনি হজরত ইসরাফলি (আ.) এর ফুঁৎকারে নমেে আসবে মহাপ্রলয়। কোরআনরে ভাষায় যাকে বলা হয় কয়োমত। এছাড়াও ইসলামরে আরও অনকে ঐতহিাসকি ঘটনার সূত্রপাত হয়ছেে এ আশুরাতইে। এই যমেন আদি পতিা হজরত আদম (আ.) কে সৃষ্টি করা হয় এ দনি।ে এদনিইে হজরত আদম (আ.) কে জান্নাতে প্রবশে করানো হয়। আবার ভুলরে কারণে তাদরে পৃথবিীতে প্ররেণরে পর এ দনিই তার তওবা কবুল করা হয়। এভাবে এ দনিই তার তওবা কবুল করা হয়। এ দনিে জাতরি পতিা হজরত ইবরাহমি (আ.) জন্মগ্রহণ করনে। আবার এদনিে নমরুদরে বশিাল অগ্নকিু- থকেে মুক্তলিাভ করনে। এ আশুরাতইে তুর পাহাড়ে আল্লাহর সঙ্গে হজরত মুসা (আ.) কথোপকথন ও আসমানি কতিাব ‘তওরাত’ লাভ করনে। আবার এ ১০ মহররমইে জালমে ফরোউনরে দলবলসহ নীল দরয়িায় সললি সমাধি হয়। তদ্রƒপ হজরত নুহ (আ.) ও তার সঙ্গী-সাথীদরে মহাপ্লাবণ থকেে মুক্তি লাভ, মাছরে পটে থকেে হজরত ইউনুস (আ.) এর পরত্রিাণ, আসমান থকেে বৃষ্টি র্বষণরে সূচনাÑ এ সবকছিুই সংঘটতি হয়ছেে ১০ মহররম র্অথাৎ আশুরার দনি।ে
মোটকথা ১০ মহররম যনে ইতহিাসরে এক জ্বলন্ত সাক্ষী। তাই শরয়িতরে দৃষ্টতিে এ দনিটরি রয়ছেে অনকে গুরুত্ব ও তাৎর্পয। মহররম মাসরে ফজলিত সর্ম্পকে হাদসিে বহু র্বণনা লপিবিদ্ধ রয়ছে।ে আর এসব ফজলিতরে আলোকে মুসলমি উম্মাহর জন্য এ মাসরে সুনর্দিষ্টি আমল হলো ‘আশুরার সয়িাম’।
হজরত আলী (রা.) কে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করছেলিনে, রমজানরে পর আর কোনো মাস আছে ক?ি যাতে আপনি আমাকে রোজা রাখার আদশে করনে। তনিি বলনে, এই প্রশ্ন রাসুল (সা.) এর কাছওে জনকৈ সাহাবি করছেলিনে। তখন আমি তার খদেমতে উপস্থতি ছলিাম। উত্তরে রাসুল (সা.) বলনে, ‘রমজানরে পর তুমি যদি রোজা রাখতে চাও, তবে মহররম মাসে রাখ। কারণ এটি আল্লাহর মাস। এ মাসে এমন একটি দনি আছ,ে যে দনিে আল্লাহ তায়ালা একটি জাতরি তওবা কবুল করছেনে এবং ভবষ্যিতওে অন্যান্য জাতরি তওবা কবুল করবনে।’ (জামে তরিমিজিি : ১১৫৭)।
মহররম মাসরে রোজা সর্ম্পকে অনকে বশিুদ্ধ হাদসি র্বণতি হয়ছে।ে যমেন উপরে উল্লখে করা হয়ছে।ে তদুপরি নম্নিে কয়কেটি হাদসি উপস্থাপন করা হলোÑ হাদসি থকেে জানা যায়, রমাজান মাসরে রোজা ফরজ হওয়ার আগে আশুরার রোজাই উম্মতে মুহাম্মদরি ওপর ফরজ ছলি। পরর্বতী সময়ে ওই বধিান রহতি হয়ে তা নফলে পরণিত হয়। হাদসিটি হলো, ‘রমজান মাসরে রোজার পর র্সবােত্তম রোজা আল্লাহর মাস মহররমরে আশুরার রোজা।’ (সুনানে কুবরা : ৪২১০)।
হজরত জাবরে (রা.) এর সূত্রে র্বণতি আছ,ে ‘রাসুল (সা.) আমাদরে আশুরার রোজা রাখার নর্দিশে দতিনে এবং এর প্রতি উৎসাহতি করতনে। এ বষিয়ে নয়িমতি তনিি আমাদরে খবরাখবর নতিনে। যখন রমজানরে রোজা ফরজ করা হলো, তখন আশুরার রোজার ব্যাপারে তনিি আমাদরে নর্দিশেও দতিনে না এবং নষিধেও করতনে না। আর এ বষিয়ে তনিি আমাদরে খবরাখবর নতিনে না।’ (মুসলমি : ১১২৮)।
হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থকেে র্বণতি, তনিি বলনে, মহানবী (সা.) যখন হজিরত করে মদনিায় পৗেঁছান, তখন তনিি দখেলনে, মদনিার ইহুদি সম্প্রদায় আশুরার দনিে রোজা পালন করছ।ে তনিি তাদরে জজ্ঞিসে করলনে, ‘আশুরার দনিে তোমরা রোজা রখেছে কনে? উত্তরে তারা বলল, এ দনিটি অনকে বড়। এ পবত্রি দনিে মহান আল্লাহ তায়ালা হজরত মুসা (আ.) ও বনি ইসরাইলকে ফরোউনরে কবল থকেে রক্ষা করছেলিনে আর ফরোউন ও তার বাহনিীকে নীলনদে ডুবয়িে মরেছেলিনে। এর কৃতজ্ঞতাস্বরূপ হজরত মুসা (আ.) রোজা রাখতনে, তাই আমরাও আশুরার রোজা পালন করে থাক।ি তাদরে উত্তর শুনে নবী করমি (সা.) বলনে, ‘হজরত মুসা (আ.) এর কৃতজ্ঞতার অনুসরণে আমরা তাদরে চয়েে অধকি হকদার। অতঃপর তনিি নজিে আশুরার রোজা রাখনে এবং উম্মতকে তা পালন করতে নর্দিশে প্রদান করনে।’ (বোখারি : ৩৩৯৭; মুসলমি : ১১৩৯)।
মুসলমিরে অপর এক হাদসিে হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থকেে র্বণতি আছ,ে রাসুল (সা.) যখন আশুরার দনিে রোজা রাখনে এবং অন্যদরেও রোজা রাখার দর্দিশে প্রদান করনে, তখন সাহাবরিা অবাক হয়ে বলনে, ‘হে আল্লাহর রাসুল! (সা.) ইহুদ-িনাসারাও তো এ দনিটকিে বড়দনি মনে কর।ে আমরা যদি এ দনিে রোজা রাখ,ি তাহলে তো তাদরে সঙ্গে সাদৃশ্য হয়ে যাব।ে তাদরে প্রশ্নরে উত্তরে রাসুল (সা.) বলনে, ‘তারা যহেতেু এ দনিে একটি রোজা পালন কর,ে আগামী বছর ইনশাআল্লাহ আমরা এ ১০ তারখিরে সঙ্গে ৯ তারখি মলিয়িে দুই দনি রোজা পালন করব।’ (মুসলমি : ১১৩৪)।
ইমাম শাফঈে ও তার সাথীরা, ইমাম আহমদ, ইমাম ইসহাক প্রমুখ বলছেনে, আশুরার রোজার ক্ষত্রেে দশম ও নবম উভয় দনিরে রোজাই মুস্তাহাব। কনেনা রাসুল (সা.) ১০ তারখি রোজা রখেছেনে এবং ৯ তারখি রোজা রাখতে নয়িত করছেনে। হজরত আবু কাতাদা (রা.) এর সূত্রে র্বণতি, রাসুলকে আশুরার রোজার ফজলিত সর্ম্পকে জজ্ঞিসে করা হলে তনিি বলনে, ‘এ রোজা বগিত বছররে গোনাহ মুছে দয়ে।’ (মুসলমি : ১১৬২)।

এখানে আপনার মন্তব্য করতে পারেন

টি মন্তব্য

পড়া হয়েছে 11 বার

এই বিভাগের আরও খবর

    আর্কাইভ

    প্রজাবন্ধু ফেসবুক ফ্যান পেজ